স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশে একটি মহল পদ্মা নদীর বালু উত্তোলন করে রমরমা বাণিজ্য চলছে শ্রীনগরের বাঘড়া এলাকায়। সরেজমিন গিয়ে গতকাল দেখা যায়, বিভিন্ন স্পটে বালু বিক্রির স্তূপ। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন শ্রীনগরের সফিকুল ইসলাম। অভিযোগ থেকে জানা যায়, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগসাজশে শ্রীনগরের বাঘড়া ইউনিয়নের কিছু অসাধু ও কুচক্রী মহল পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন করে রমরমা বাণিজ্য করে আসছে। রমরমা ও অবৈধ ব্যবসার কারণে এলাকায় অরাজকতা ও খুনখারাবির মতো ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অবৈধ ব্যবসার কারণে এলাকায় দলাদলি, মারামারি, কাটাকাটি, হানাহানিসহ বিশৃঙ্খলা করে ইউনিয়নের শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্টের কারণ বিদ্যমান। ইতঃপূর্বে এই ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় খুনখারাবিসহ অরাজক ঘটনা ঘটছে।
অভিযোগকারী সফিকুল ইসলাম জানান, কটা সালাম (৫০), কাইল্যা আলম (৪৫) আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম হোতা। তাজুল মাদবর (৬০) ও নুরুজ্জামান (৩০) এই দুইজন নব্য বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মিলে এখন পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে রমরমা বাণিজ্য করে আসছে। স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস, পুলিশও অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যারা এসব অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত তাদেরকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বিভিন্ন মামলায় আসামি হওয়া সত্ত্বেও গ্রেফতার করছে না। উল্টো তাদের কাছ থেকে উৎকোচ লেনদেনের মাধ্যমে তাদেরকে রক্ষা করে চলছেন বলে অভিযোগ কর হয়েছে। অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে ও ইঙ্গিতে মূল হোতা সালাম ও আলমরা আড়ালে ও আবডালেই থেকে যায়।
স্থানীয় মেম্বর নুরুজ্জামানের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
শ্রীনগর উপজেলা নিবাহী অফিসার মো: মহিন উদ্দিন জানান, এর আগে অভিযান চালিয়েছি। বর্তমানে অভিযোগ দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



