মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দু’টি পোলট্রি ফার্মসহ বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত বুধবার রাত ৩টার দিকে জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের মামাদুল গ্রামের মো: ইসমাইল হাওলদারের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের জরুরি সেবা মোবাইল নাম্বারে কল করা হলেও তা গ্রহণ করেননি কেউ। অগত্যা গ্রামের মসজিদের মাইক থেকে আগুনের কথা মাইকিং করা হলে গ্রামবাসী ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইসমাইল হাওলাদার জানান, রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে তার নাতি নীরব হাওলদারের ঘুম ভেঙে বাড়িসংলগ্ন পোলট্র্রি ফার্মে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে চিৎকার করে ওঠে। এরপর মসজিদের মাইক থেকে আগুন লাগার খবর শুনে গ্রামবাসী ছুটে আসে। এরইমধ্যে পাশাপাশি দু’টি পোলট্র্রি ফার্ম ও বসতঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে গ্রামবাসী নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে তার বসতঘরের আসবাবপত্র ও একটি পোলট্র্রি ফার্মের ৫০০ মুরগি ও অপর পোলট্রি ফার্মের ৫৮০টি মুরগির বাচ্চা আগুনে পুড়ে মারা গেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের হটলাইনে কল করা হলেও কেউ তা গ্রহণ করেননি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা না আসার কারণে মসজিদের মাইক থেকে আগুন লাগার কথা জানানো হলে গ্রামবাসী এগিয়ে আসেন। এলাকাবাসীর চেষ্টায় ভোর ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের জরুরি পরিষেবায় দায়িত্বরত মোক্তার হোসেন বলেন, আমাদের আগুন লাগার কোনো ঘটনা জানা নেই।
উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান বলেন, সর্বদা হটলাইন খোলা থাকে। এ জন্য কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। কল আসলেই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই।
তিনি আরো বলেন, ওই রাতে আমরা যখন আগুন লাগার খবর পাই তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রওনা হয়েছিল। কিন্তু গ্রামের কেউ আবার কল করে আগুন নিভে গেছে বলে জানিয়েছিল। তাই আমরা মাঝপথ থেকে ফিরে আসি।
মুন্সীগঞ্জে ২টি পোলট্রি ফার্ম ও বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দু’টি পোলট্রি ফার্মসহ বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গত বুধবার রাত ৩টার দিকে জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের মামাদুল গ্রামের মো:...



