চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কয়া গ্রামে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে এক হতদরিদ্র পরিবারের মুদিখানা ও চায়ের দোকান। এতে দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত একটার দিকে সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
জীবননগর উপজেলা সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া ঈদগাহপাড়ার কামরুল হাসানের ছেলে আমির হামজা বলেন, গ্রামের মানিকতলায় একটি টং দোকান দিয়ে সেখানে মুদি মালামাল বিক্রির পাশাপাশি চা বিক্রি করে কোনোভাবে সংসার চালিয়ে আসছিলাম। প্রতিদিনের মত গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যাই।
এদিকে গতকাল শুক্রবার রাত ১টার দিকে লোকজন বাড়িতে গিয়ে জানায় আমার দোকানে আগুন লেগেছে। ঘটনা শুনে দ্রুত গিয়ে দেখি, দোকানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আমি ও আশপাশের লোকজনসহ জীবননগর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বহু চেষ্টা করেও আগুন নেভাতে পারিনি। আগুনের লেলিহান শিখায় দোকান ও দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। এতে আমার দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমার আয়ের আর কোনো উৎস থাকল না।
সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি খুব দুঃখজনক ও নির্মম। কিভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে তা এখনো জানা যায়নি।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।