নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি হাইস্কুলের ধর্মীয় শিক্ষককে স্কুলের ভেতর মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ সফুরা খাতুন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক আমিনুল হাসানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ভোটার তালিকায় নিবন্ধন করতে আসা সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের বার্মাশীল এলাকার বাসিন্দা মাসুম ওরফে কুমির মাসুম। গতকাল সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধর্মীয় শিক্ষক আমিনুল।
তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ঐ যুবকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শিক্ষক আমিনুল হাসান জানান, অসুস্থতার কারণে এ বছর নির্বাচন কমিশন ও স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে ভোটার তালিকা হালনাগাতে কোনো দায়িত্ব দেয়নি। তার স্থলে একজন শিক্ষিকা দায়িত্ব পান।
তিনি বলেন, গত বছর ভোটার হালনাগাদের দায়িত্বে তিনি ছিলেন। ঐ সময় কম্পিউটার অপারেটরের ভুলে মাসুমের স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল হয়। সেই থেকে মাসুম আমার সাথে বিরোধ শুরু করে। এর জের ধরে মঙ্গলবার স্কুলে প্রকাশ্যে গালিগালাজ করেছে। আমি তার বিচার দাবি করছি।
অভিযুক্ত মাসুম দাবি করেন, স্ত্রীর ভোটার হওয়ার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষক আমিনুল আমার সামনে আসেন এবং অযথা বাগি¦তণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
গত বছর শিক্ষক আমিনুলের ভুলে আমার স্ত্রী গত ১ বছরেও জাতীয় পরিচয়পত্রের কার্ড হাতে পাননি। যার ফলে আমাদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমাদের দু’জনের মধ্যে বাগি¦তণ্ডা হয়।
প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলের সহকারী শিক্ষক আমিনুল সাহেব গত বছর মাসুমের স্ত্রীর ভোটার ফরমে ভুল করায় তাকে গত এক বছর নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের দু’জনের মধ্যে বাগি¦তণ্ডা হয়।