সিরাজগঞ্জের তাড়াশে রাতে মাদরাসায় ঢুকে পবিত্র কুরআন শরিফ পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে ছিলেন। সেখানে নিরাপত্তার স্বার্থে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত রোববার গভীর রাতে বোয়ালিয়া দারুল উলুম ফোরকানিয়া কওমিয়া হাফিজিয়া এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
শিক্ষক মাওলানা বদিউজ্জামান বলেন, গত রোববার (১৯ জানুয়ারি) প্রতি দিনের মতো ছাত্রদের পড়াশোনা শেষ করে মাদরাসা বন্ধ করে চলে যাই। সোমবার ভোরে মাদরাসা খুলে দেখা যায়, একটি কক্ষের টেবিলে রাখা পবিত্র কুরআনগুলো দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে ফেলেছে। অবশ্য পাশে রাখা অন্য টেবিলের পবিত্র কুরআনগুলো অক্ষত রয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ জনতা দুর্বৃত্তদের শাস্তির দাবিতে মাদরাসা মাঠে জমায়েত হন এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষ এ ঘটনা প্রশাসনকে জানায়।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুইচিং মং মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান, নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার শরিফুল ইসলাম, তাড়াশ থানার ওসি আসলাম হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি স. ম. আফসার আলী, উপজেলা জামায়েতের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তাড়াশ থানার ওসি আসলাম হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের শান্ত থাকতে অনুরোধ করেছি। ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।