পিঠা শুধু আবহমান বাংলার ঐতিহ্যই নয়, এটি লোকজ সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। শীতের সাথে পিঠার রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। আধুনিকতা ও প্রযুক্তির জাঁতাকলে নিষ্পেষিত হয়ে ইট-কাঠের যান্ত্রিক নগরীতে চিরায়ত এই সংস্কৃতি প্রায় বিলুপ্তির পথে। নগরজীবনের বাসিন্দাদের কাছে পিঠার গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্যে বরাবরের মতো এবারও যৌথভাবে জাতীয় পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
গতকাল শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে জাতীয় পিঠা উৎসব কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়, উৎসবের সহযোগিতায় রয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এটি নিয়মিত আয়োজনের অষ্টাদশ পর্ব। ৩০ জানুয়ারি বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের উৎসব মঞ্চে ১০ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪৩১-এর উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ।
উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতায় প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যজন আমানুল হক, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সেক্রেটারি জেনারেল ও উৎসব উদযাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল বায়েজীদ। উদ্বোধন পর্বে স্বাগত বক্তৃতা করবেন উৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম।