নাটোরের বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। গত রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার কয়েন বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন- উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান (৩৫) ও তার বাবা মো: জিন্নাহ (৬০), নগর ইউনিয়ন শ্রমিকদল নেতা মো: রুবেল (২৬), নগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সুজন (৩২), শ্রমিকদলের প্রচার সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম (৪৫), বিএনপি নেতা আজগর আলী (৬৫), ছাত্রদল নেতা মো: সোহেল (২৫), শুভ (২২) ও জুয়েল রানা (২০)। অপর পক্ষের আহতরা হলেন- ছাত্রদল নেতা হৃদয় (২৫), উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মো: সানা উল্লাহ (৫৫), বিএনপি নেতা নাসিম (২৭), ডা: মো: সাইদুল ইসলাম (৫৫) ও মো: সাইফুল ইসলাম (৫২)। এদের মধ্যে হৃদয়, রুবেল ও জিন্নাহকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুুলিশ ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান স্থানীয় কয়েন বাজারে দলীয় কার্যালয় তৈরির জন্য একটি দোকান ভাড়া নেন। এতে বাধা দেন নগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আতাউর রহমান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে গত রোববার বিকেলে কয়েন বাজারে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। পরে ওই ঘটনার জেরে সন্ধ্যার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে লাঠিসোটা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বড়াইগ্রাম থানার ওসি মো: সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।



