খাগড়াছড়িতে অপারেশন ডেভিল হান্টের আওতায় এ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগসহ যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের মোট ১২ নেতা-কর্মী গ্রেফতার হয়েছেন।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে ছয়জনকে দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকা এবং বাকিদের খাগড়াছড়ির ভাইবোনছড়া ইউনিয়ন ও মহালছড়ি উপজেলা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েল।
গ্রেফতার আসামিরা হলেন চট্টগ্রাম মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও মহালছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অভি দে, দীঘিনালা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দীঘিনালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আফজাল হোসেন, যুবলীগ নেতা মো: হাসেম, আনোয়ারুল হক, আলী আকবর, হেলাল উদ্দিন এবং ভাইবোনছড়া ইউনিয়ন যুবলীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মো: আব্দুর রহমান জীবন।
পুলিশের দাবি, ছাত্রলীগ নেতা অভিকে নাশকতা সৃষ্টির জন্য প্রস্তুতির সময় রোববার রাতে মহালছড়ির ২৪ মাইল এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি মহালছড়ি টিলাপাড়ার সূধীর দের ছেলে। তার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে চট্টগ্রামে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরাসরি হামলার অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে গুইমারার বড়পিলাক এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের চার নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো: আরেফিন জুয়েল জানান, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি প্রতিরোধে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সন্ত্রাসীদের নির্মূল না করা পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।



