যশোরের চৌগাছায় উপজেলা বিএনপি সভাপতি জহুরুল ইসলাম ও পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ারসহ মোট ২৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ ২৫/৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আরেকটি নাশকতার মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। যার নং ০১ তারিখ ০১-০৬-২০১৮।

শুক্রবার রাতে চৌগাছা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কাউছার আলম বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- স্বরূপদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শহিদুল ইসলাম, স্বরূপদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ডাক্তার আমিনুর রহমান, ফসিউজ্জামান লোটন, উপজেলা যুবদলের সাধারণ স¤পাদক সোহরাব হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ স¤পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পুড়াপাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা মুছা মিয়া, কর্মী মিজানুর রহমান, স্বরূপদাহ ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, স্বরূপদাহ গ্রামের বিএনপি কর্মী আব্দুর রাজ্জাক, কদমতলা গ্রামের বিএনপি নেতা বদর উদ্দিন, খড়িঞ্চা গ্রামের বিএনপি কর্মী রায়হান উদ্দিন, মমিনুর রহমান ও আব্দুল ওয়াহাব ঝন্টু, আন্দারকোটা গ্রামের মন্টু মিয়া, বহিলাপোতা গ্রামের শফিউদ্দিন, একই গ্রামের তাহাজ্জেল হোসেন ও মতলেব, দিঘড়ী গ্রামের আব্দুস সাত্তার ও ইসমাইল হোসেন, গদাধরপুর গ্রামের আব্দুল মালেক, নওদাপাড়া গ্রামের সানোয়ার হোসেন, তিলকপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান হবি, সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের মামুনুর রশীদ মামুন এবং পুড়াপাড়া গ্রামের জামিনুর রহমান।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে গত ৩১ মে রাত আটটা থেকে ৮টা ২০ মিনিটের মধ্যে উপজেলার স্বরূপদাহ ইউনিয়নের সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের রশীদুর রহমানের বাড়ির দক্ষিণ পাশের ফাঁকা মাঠে বসে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য সরকারবিরোধী সলা-পরামর্শ করছিল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে গেলে ওই স্থান থেকে ১০টি জিহাদী বই, চারটি হাতবোমা ও ২০টি সরকারবিরোধী লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে চৌগাছা থানার ওসি খন্দকার শামীম উদ্দিন জানান একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

এদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম বলছেন, তারা ওই স্থানে ইফতার করছিলেন। নাশকতার কোনো ঘটনা বা পরিকল্পনা ভিত্তিহীন। তিনি এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।