শত বছরের অধিক সময় থেকে জনসাধারনের চলাচলকারী রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে লাকসাম উপজেলা ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা ভূমি অফিসের সীমানা প্রাচীর নির্মানে সরকারী বরাদ্দ পাওয়ার পর এসিল্যান্ড মো: ইসমাঈল হোসেন কর্তৃক সুতা টাঙ্গিয়ে অফিসের সীমানা নির্ধারণ করে ঠিকাদারকে জায়গা বুঝিয়ে দিলে স্থানীয় এলাকাবাসী এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, লাকসাম উপজেলা ভূমি অফিসের পাশ দিয়ে বিএস নকশা অনুযায়ী প্রায় ৬ফুট প্রশস্থ একটি রাস্তা রেকর্ড করা আছে, যার দাগ নং ৫০০৩। কিন্তু সহকারী কমিশনার ভূমি এই বিএস রেকর্ডকে তোয়াক্কা না করে শত বছরের পুরনো প্রায় ২শ পরিবারের চলাচলের রাস্তাকে বাউন্ডারী ওয়ালের ভিতরে ঢুকিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয়দের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই নিয়ে গতকাল শনিবার বিকেলে এলাকাবাসী ও স্থানীয় কাউন্সিলর মো: আব্দুল আলিম দিদার উপস্থিত হয়ে লাকসাম স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি তুলে ধরেন এবং সহকারী কমিশনার ভূমি কর্তৃক সীমানা প্রাচীর নির্মানের উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান। অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন বিষয়টি নিয়ে অল্প সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিতে পারলে অনাকাংখিত পরিস্থিতি ঘটতে পারে।
কাউন্সিলর আবদুল আলিম দিদার জানান লাকসামের প্রয়াত জমিদার নবাব ফয়জুন্নেসা সরকার বাহাদুরকে এই জাগায়টি দান করে দিয়েছেন। সরকার এই জায়গাটি একোয়ার করেননি। ১শ বছরের অধিক সময় থেকে এলাকাবাসী এই জায়গা দিয়ে চলাচল করে আসছে। আর অতীতে এসিল্যান্ড অফিস কর্তৃক চলাচলের জায়গা বাদ দিয়ে গাছ লাগিয়েছেন। যাহা এখনও অনেক বড় হয়েছে। বর্তমানে এসিল্যান্ড সাহেব শত বছরের পুরোনো ওই চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ওয়াল নির্মাণ করায় জনসাধারনের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
লাকসাম উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: ইসমাঈল হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি এখানে সরকারের প্রতিনিধি। তাই সরকারী অফিসের নিরাপত্তা এবং সরকারী জায়গা সংরক্ষণ করা আমার দায়িত্ব। এই নিয়ে এলাকাবাসীর কোন অভিযোগ থাকলে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানাতে পারেন।