দীর্ঘ ছয় মাসেও খোঁজ মেলেনি কক্সবাজারের ফারজানার। এদিকে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে পাগলপ্রায় তার বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল গনি। এলাকাবাসী জানান, মেয়ের চিন্তায় বেশ কয়েকবার স্ট্রোক করে বর্তমানে ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন আবদুল গনি।
জানা যায়, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার ঝাউতলা গাড়ীর মাঠ এলাকার বাসিন্দা পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল গনির কলেজপড়–য়া মেয়ে ফারজানা আক্তার বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। ঘটনার পরপরই বাবা আবদুল গনি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (নম্বর ১১৯৮ : ২২.১১.২০১৭) করেন। বাবা আবদুল গনি জানান, মেয়েকে অনেক জায়গায় খুঁজেছেন কিন্তু কোথাও পাননি। মেয়েকে না পেয়ে তার মাও অসুস্থ হয়ে এখন মৃত্যুশয্যায়। তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের সন্ধান দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছিলাম কিন্তু কোনো সন্ধান পাইনি।’
এদিকে ফারজানার পরিবার সন্দেহ করছে, পেকুয়া উপজেলার আতিক উল্লাহ নামে এক যুবক তাকে তুলে নিয়ে গুম করে রেখেছে। এ ব্যাপারে ভিকটিমের ভাই আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেছেন। মামলা নম্বর ৬০২ তারিখ : ২৮.১১.২০১৭।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের আতিক উল্লাহ প্রায় সময় ফারজানাকে উত্ত্যক্ত করত। একপর্যায়ে ঘটনার দিন ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ফারজানাকে কক্সবাজার ঝাউতলা থেকে একটি সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায় আতিক। পরে তাকে আর পাওয়া যায়নি। পেকুয়ায় গিয়েও আতিক উল্লাহ ও তার স্বজনদের কোনো খোঁজ পায়নি ফারজানার স্বজনেরা। নিখোঁজ ফারজানা ও তার ব্যাপারে সাধারণ ডায়েরির বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার মডেল থানার ওসি ফরিদ আহমদ জানান, ‘যেহেতু বিষয়টি আমার যোগদানের আগের সেহেতু এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে হবে।’
ছয় মাসেও খোঁজ মেলেনি কক্সবাজারের ফারজানার
দীর্ঘ ছয় মাসেও খোঁজ মেলেনি কক্সবাজারের ফারজানার। এদিকে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে পাগলপ্রায় তার বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল গনি। এলাকাবাসী জানান, মেয়ের চিন্তায় বেশ...



