পার্বত্য চট্রগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা বান্দরবান সার্কিট হাইজে অনুষ্টিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকের সভাপত্বি করেন দ্বিতীয় মেয়াদে কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়া বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক।
বৈঠকে পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা সন্তু লারমা ছাড়াও বান্দরবান জেলা চট্রগ্রামের অতিরিক্ত ভিাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোমিনুর রশীদ আমিন, বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা, রাঙ্গামাটির চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশিষ রায়, বোমাং সার্কেল চীফ উচ প্রু চৌধুরী, মং সার্কেল চীফ সাচিং প্রু চৌধূরী। তবে খাগড়াছড়ির জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি পাঠানো হলেও বৈঠকে গ্রহণ করা হয়নি।
বৈঠকের প্রথম দিকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচাপতি আনোয়ার উল হক সাংবাদিকদের জানান পার্বত্য চট্রগ্রামে বিবদমান ভ’মি সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ভারত প্রত্যাগত শরনার্থীদের ভ’মি সমস্যার সমাধান করা হবে। পর্যায়ক্রমে কমিশন অন্যান্য মামলাগুলো বিচার নিষ্পত্তি করবে। কমিশনের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় প্রাথমিক ভাবে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে দুটি ইউনিট অফিস স্থাপন করে মামলাগুলো দ্রত নিষ্পত্তি করা হবে। তবে বৈঠক শেষে কমিশনের সদস্য ও পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা সন্তু লারমা সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন ভ’মি কমিশনের কার্যক্রম যে ভাবে এগুনোর কথা ছিল তা হচ্ছে না। এতে করে পার্বত্য চট্রগ্রামে ভ’মি বিরোধ বেড়েই চলেছে। পার্বত্য চট্রগ্রামের অন্যতম ভ’মি সমস্যা দ্রত সমাধানের লক্ষ্যে কমিশন দ্রত কাজ করবে এই প্রত্যাশা করেন সন্তু লারমা।
উল্লেখ্য পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি সম্পাদনের পর চুক্তির অন্যতম বিষয় পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমি সমস্যা সমাধানের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন আইন ২০০১ পাশ করানো হয়। পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদসহ সার্কেল চীফদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আইন ২০১৬ সালে সংশোধিত আকারে পাশ করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন গঠনের পর প্রথমবার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধূরীকে চেয়ারম্যান করে কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৩১ আগষ্ট বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার আল হককে ৩ বছরের জন্য কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়। প্রথম দফায় মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার আল হককে দ্বিতীয় মেয়াদে ৩ বছরের জন্য চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভুমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কাছে এ পর্যন্ত প্রায় ২৩ হাজার আবেদন জমা পড়লেও এসব আবেদনের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়নি।
বান্দরবানে নতুন ভূমি কমিশনের কাজ নিয়েও অসন্তুষ্ট সন্তু লারমা
পার্বত্য চট্রগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের সভা বান্দরবান সার্কিট হাইজে অনুষ্টিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকের সভাপত্বি করেন দ্বিতীয় মেয়াদে কমিশনের...



