কারেন্ট জাল আটকের পর কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুন ময়মনসিংহের ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কদ্দুসকে বেধড়ক পেটায় ত্রিশাল থানা পুলিশ।
ওই দিন বিকেলে ত্রিশাল থানা পুলিশের একটি দল মঠবাড়ী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী বাজারে অভিযান চালিয়ে কাশেমের দোকান থেকে কারেন্ট জাল উদ্ধার করে। কাশেমকে আটক করে থানায় নিয়ে আসতে চাইলে কদ্দুস চেয়ারম্যানের ছেলে জামাল উদ্দিন স্থানীয়দের নিয়ে বাধা দেয়। এতে জামালসহ স্থানীয়দের সাথে পুলিশের কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ খবর শুনে অতিরিক্ত পুলিশসহ ঘটনাস্থলে যান ওসি জাকিউর রহমান। পোড়াবাড়ী বাজারে চেয়ারম্যানকে মারতে মারতে নিয়ে আসা হয় থানায়। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদককে থানায় ধরে নিয়ে আসা হয়েছে এমন খবরে থানায় ছুটে আসেন দলীয় নেতাকর্মীরা। রাত দেড়টা পর্যন্ত তাকে ছাড়িয়ে নেয়া হয়। পরদিন সংবাদকর্মীরা পুলিশের মারধরের কারণ জানতে চাইলে মানসম্মানের ভয়ে বিষয়টি অস্বীকার করেন ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কদ্দুস। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার রাত ১০টার দিকে চেয়ারম্যানকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন তার পরিবারের লোকজন। পায়ের হাড় ফেটে যাওয়ায় দুই দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
পোড়াবাড়ী বাজার কমিটির সভাপতি আফতাব উদ্দিন ও ব্যববসায়ী লাল মিয়া বলেন, শত শত মানুষের সামনেই চেয়ারম্যানকে মারতে মারতে পুলিশের পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।
আহত ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কদ্দুস জানান, পোড়াবাড়ী বাজারে জনসম্মুখে আমাকে তো মেরেছেই, পরে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে গাড়িতেও অনেক মারধর করেছে। লোক লজ্জার ভয়ে মুখ খুলিনি।
চেয়ারম্যানকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে ওসি জাকিউর রহমান বলেন, কারেন্ট জাল আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে চেয়ারম্যানের একটু ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। পরে স্থানীয়ভাবে সমাধান হয়ে গেছে।
ত্রিশালে ইউপি চেয়ারম্যানকে বেধড়ক পিটুনি দিয়েছে পুলিশ
কারেন্ট জাল আটকের পর কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে গত ২১ জুন ময়মনসিংহের ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কদ্দুসকে বেধড়ক পেটায় ত্রিশাল থানা পুলিশ।ওই দিন বিকেলে...



