দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জ,পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজারের দোকান-পাটে জমে উঠেছে জমজমাট জুয়ার আসর।

বিশেষ করে এ খেলায় সম্পৃক্ত হয়ে ধ্বংস হচ্ছে এ উপজেলার অধিকাংশ যুব সমাজ ও শিক্ষার্থী। অনেকেই এখন নিজের কর্মসংস্থান ছেড়ে জুয়ার পেছনে ঘুরছেন। যার ফলে কিছু লোক অল্প দিনের মধ্যে আঙুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছেন। আবার কেউ কেউ নিঃস্ব হয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। জুয়ায় আসক্ত হয়ে অনেকেই নিজের সঞ্চয়কৃত টাকা জুয়ার দানে নিয়ে যাচ্ছেন।

একটি সূত্র জানায়, নামি-দামি তারকাদের পায়ে যখন ফুটবল থাকে তখন বলে, আমার দল আজকে ২ টি গোল করবে। প্রতিপক্ষ বলবে পারবে না অথবা আমি ৩ গোল এ আছি। এভাবেই চলছে বাজি। আবার ২ টি শক্তিশালী দলের মধ্যকার খেলায় আমার এ দল তো বিপরীত পক্ষ বলছে আমার বি দল জিতবে। এ নিয়েও চলছে জমজমাট জুয়ার আসর।

আমার তারকা এবার গোল দেবে। গোল দিতে না পারলে আপনাকে আমি ২০ হাজার টাকা দেব। আর গোল করতে পারলে আপনি আমাকে ২০ হাজার টাকা দেবেন। এভাবে ভালো ফুটবল খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত জুয়া ধরা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, গত শুক্রবার রাতে ব্রাজিল ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয় পক্ষে-বিপক্ষে জুয়া ধরার খেলা। ব্রাজিল ও বেলজিয়ামের এ খেলায় নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের এক বাজারে ব্রাজিল ও আরজেন্টিনা সমর্থকদের মাঝে ব্রাজিল জিতলে আরজেন্টিনা পক্ষ দিবে ২০ হাজার টাকা আর বেলজিয়াম জিতলে ব্রাজিল পক্ষ দিবে ৫০ হাজার টাকা এমন একটি বাজি হয়।#