যশোরের চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম ও পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ারসহ ২৬ নেতাকর্মী জামিনে মুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে তা মুঞ্জুর করে। পরে গতকাল তারা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন। বিষটি নিশ্চিত করেছেন মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী দেবাশীষ দাস।
জামিনে মুক্তি প্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ হলেন: উপজেলা বিএনপি সভাপতি জহুরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ারসহ স্বরূপদহ ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম মাস্টার, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পুড়াপাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা আবু মুছা খান, একই গ্রামের বিএনপি কর্মী মিজানুর রহমান, স্বরূপদহ গ্রামের বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক, ফসিউজ্জামান লোটন, জহুরুল ইসলাম বাবু, কদমতলা গ্রামের বিএনপি নেতা বদর উদ্দিন, খড়িঞ্চা গ্রামের বিএনপি কর্মী রায়হান উদ্দিন, মমিনুর রহমান ও আব্দুল ওয়াহাব ঝন্টু, আন্দারকোটা গ্রামের মন্টু মিয়া, বহিলাপোতা গ্রামের শফিউদ্দিন, স্বরূপদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাধবপুর গ্রামের ডা. আমিনুর রহমান, একই গ্রামের তাহাজ্জেল ও মতলেব, দিঘড়ী গ্রামের আব্দুস সাত্তার ও ইসমাঈল হোসেন, গদাধরপুর গ্রামের আব্দুল মালেক, নওদাপাড়া গ্রামের সানোয়ার হোসেন, তিলকপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হবিবুর রহমান, সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের প্রভাষক মামুনুর রশীদ ও পুড়াপাড়া গ্রামের জামিনুর রহমান।
মামলায় উল্লেখ করা হয় ৩১ মে রাত আটটা থেকে ৮ টা ২০ মিনিটের মধ্যে উপজেলার স্বরূপদহ ইউনিয়নের সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের রশীদুর রহমানের বাড়ির দক্ষিণ পাশের ফাঁকা মাঠে বসে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য সরকার বিরোধী সলা-পরামর্শ করছিল। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে গেলে ওই স্থান থেকে ১০টি জিহাদী বই, ৪টি হাত বোমা ও ২০টি সরকার বিরোধী লিফলেট উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম বলেন, সাঞ্চাডাঙ্গা গ্রামের চাঁপাডাঙ্গা জামে মসজিদে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকীর দোয়া ও ইফতার মাহফিল হয়। আমরা সেখানে অংশ নিয়ে চৌগাছায় চলে আসি। সরকার বিরোধী কোন সলা-পরামর্শ সেখানে করা হয়নি।



