জোঁক শিবপুর উপজেলায় নয় জেলার সকল উপজেলায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। খড়া মৌসুম অর্থা শীতকালে জোঁকের তেমন কোন প্রভাব পড়েনা। তখন ওরা মাটির ভিতরে চলে যায়। একটুখানি বৃষ্টি হলেই জোঁকের উপদ্রব বেড়ে যায়। জোঁকের আক্রমনে শিকার হয়ে সফরিয়া গ্রামের কবির উদ্দিন ভূইয়া জামান বলেন, জমিতে কাজ করতে গেলেই জোঁকের আক্রমনে শিকার হতে হয়। লবন দিলে রক্ত শোষণ ছেড়ে দেয়, কিন্তু লবনের কেজিও ২৫ টাকা। এমতাবস্থায় আমরা জোঁক নিধনে সরকারি সহযোগিতা চাই। বিরাজ নগর গ্রামের রশিদ জানান, শুধু জমিতে নয় মাঝে মাঝে বাঁশ ঝারে ও জোঁকের দেখা মিলে। আমরা জোঁকের আক্রমনের ভয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকি।
এব্যাপারে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: রেজাউল করিম বলেন, প্রাণী সম্পদ রক্ষার্থে জোঁক নিধনের জন্য আমরা জনসাধারণকে লবন ব্যবহারসহ নানাবিদ পরামর্শ দিয়ে থাকি। কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ বিন সাদেক বলেন, জোঁক নিধনের জন্য ডার্সবান ঔষধ প্রতি লিটার পানিতে ৫ মি:লি: মিশিয়ে স্প্রে করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকি। তবে ডার্সবান স্প্রে করার পরে মৃত জোঁক হাঁস মোরগ খেয়ে ফেললে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবিষয়ে শর্তকতা অবলম্বন করার জন্য পরামর্শ দেন।
জোঁক আতঙ্কে শিবপুরবাসী
জোঁক শিবপুর উপজেলায় নয় জেলার সকল উপজেলায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। খড়া মৌসুম অর্থা শীতকালে জোঁকের তেমন কোন প্রভাব পড়েনা। তখন ওরা মাটির ভিতরে চলে যায়।...



