নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের দুয়েক দিনের টানা বিক্ষোভের কারণে ‘নিরাপত্তার’ নামে অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে নগরে গণপরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অঞ্চলের মানুষদের।
শনিবার সকাল থেকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন সংকটে দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। সড়কে গণপরিবহণ রাস্তায় চলাচল করছে না। শুক্রবারও একই চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, শুক্রবারও ছিল পরিবহন ধর্মঘট। চট্টগ্রাম থেকে দেশের ৬৪ জেলায় কোন যানবাহন ছেড়ে যায়নি। এছাড়া গণপরিবহনের সংখ্যা ছিল কম। বিষয়টি অনেক যাত্রী জানতো না। তাই যাত্রীরা মহাসড়কে এসে গন্তব্যে যেতে না পেরে ফিরে গেছে।
উপজেলার সবচেয়ে বড় বাস স্ট্যান্ড বারইয়ারহাট পৌরসদরে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে যাত্রীদের ভিড়। শনিবার দুপুরে করেরহাট ইউনিয়নের যাত্রী গোলাম সরোয়র বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে চট্টগ্রাম শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বারইয়ারহাট বাস স্ট্যান্ডে আসেন। কিন্তু এসে দেখে বাস চলছে না। তাই তিনি ফিরে যাচ্ছেন। তবে মাঝে মধ্যে চয়েস, উত্তরা ও দুরপাল্লার কিছু বাস চলাচল করলেও যাত্রীদেও তুলনায় একেবারে নগন্য। আবার অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা বাস মিনিবাস হিউম্যান হলার মালিক সমিতির সভাপতি রফিক উদ্দিন জানান, নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে শুক্রবার তাদের সমিতির আওতাধীন চয়েস বাসসহ সকল যানবাহন বন্ধ রাখা ছিল। তবে শনিবার কিছু বাস চলাচল করেছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পূর্বাঞ্চলীয় সভাপতি মৃণাল চৌধুরী বলেন, ‘নিরাপত্তার অভাবে হয়তো চালকরা গাড়ি চালাচ্ছেন না। শিক্ষার্থীরা যেহেতু সড়কে গাড়ি থামিয়ে বৈধ কাগজপত্র ও লাইন্সেস দেখছে, তাই হয়তো অনেকে গাড়ি রাস্তায় নামায়নি। যাদের ড্রাইভিং লাইন্সেস ও বৈধ কাগজপত্র নেই। তবে আামরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোন ধর্মঘট ডাকিনি। চালকরা নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে চালকরা গাড়ি চালাচ্ছেন না।’
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গনপরিবহন সংকট
নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের দুয়েক দিনের টানা বিক্ষোভের কারণে ‘নিরাপত্তার’ নামে অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে নগরে গণপরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের...



