কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে কাঁচা সড়কে মাটি ভরাটের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
২০১৭-১৮ অর্থবছরে ওই ইউনিয়নের ভবানিপুর-সোলায়মান পুর এবং বাউলবাড়ি-মালো ফকিরের বাড়ির কাঁচা সড়কে মাটি ভরাটের জন্য ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা (টিআর) বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু ইউপি সদস্য সেলিম মিয়া ও আক্তার হোসেন সড়কে মাটি ভরাট না করে তাদের পছন্দসই লোকজনদেরকে দিয়ে কমিটি গঠন করে প্রকল্পের পুরো টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে এলাকাবাসী গত ২ আগস্ট ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাজী ফয়সালের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে আরো জানা যায়, সড়কে মাটি ভরাট না করায় সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে জনগণের চলাচলে মারাত্মক অসুবিধা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন, ভৈরব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভৈরব উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ভৈরব প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন দফতরে অনুলিপি দিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সেলিম মিয়া ও আক্তার হোসেন জানান, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি আমরা করিনি। আমরা আমাদের কাজ সুন্দর ও সঠিকভাবে করেছি। তদন্ত করলে সঠিকটি বেরিয়ে আসবে। তাছাড়া চেয়ারম্যানের সাথে আমাদের বনিবনা না থাকায় চেয়ারম্যানসহ এলাকার কিছু লোক আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে শ্রীনগর ইউপি চেয়ারম্যান সার্জেন্ট (অব.) মো: তাহের জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগে জানতে পেরেছি সড়কে মাটি ভরাট না করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ অভিযোগে সেলিম মিয়া ও আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাজী ফয়সালের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছে। তাছাড়া এ দুই ইউপি সদস্যের সাথে আমার ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নেই।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাজী ফয়সাল জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।



