রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনটি আবার ধরে রাখতে গণসংযোগ, কর্মিসভা ও মতবিনিময় সভা করে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। গত দশ বছরে বাগমারার বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে পোস্টার সাঁটানো এবং লিফলেট বিতরণ করে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ হাতেম আলী, সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন আফতাব, যুগ্ম সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন সুরুজ, সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউপির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আহাজারুল হক, হামিরকুৎসা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, গনিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হারুণ-অর রশিদ, কাচারীকোয়ালীপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও বাগমারা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আল-মামুন বলেন, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হককে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। কারণ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের কাছে ধনী-গরিব সবাই সমান।
ভবানীগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ হাতেম আলী ও ভবানীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র আবদুল মালেক জানান, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক একজন শিক্ষানুরাগী মানুষ। তার নেতৃত্বে ভবানীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে উন্নীত করা হয়েছে। এ ছাড়া গত কয়েক দিন আগে তিনি বাগমারার ৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন উদ্বোধন করেছেন। কাজেই এবারো তাকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হলে এ আসনে কেউ তার বিজয় ঠেকাতে পারবে না।
মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। তিনি বলেন, একসময় সর্বহারা ও জেএমবির অত্যাচারে এ অঞ্চলের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারত না। অশান্ত সেই বাগমারা আজ শান্তির জনপদে পরিণত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক আবদুল গফুরকে পরাজিত করে এবং ২০১৪ সালে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় আমি এমপি নির্বাচিত হয়ে বাগমারাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তের কাজ শুরু করি। এ ছাড়া কৃষি, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিগত দশ বছরে নানামুখী উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে বর্তমানে বাগমারার চেহারা বদলে গেছে। কাজেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবারো দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।