একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চান বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু হেনা। তিনি এ আসন থেকে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী মরহুম সরদার আমজাদ হোসেনকে এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপিকা জিন্নাতুন নেছা তালুকদারকে পরাজিত করে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দুইবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তখন এ আসনটি বাগমারা-মোহনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত ছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে বাদ দিয়ে অধ্যাপক আবদুল গফুরকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হলে এ আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়ে যায়।
রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি আক্তারুল ইসলাম আক্তার, বাগমারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক দুলাল হোসেন, দফতর সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোকলেছুর রহমান মুকুল ও আবু জাফর, যুবদল নেতা আবদুস সালাম, রাশেদুল ইসলাম, মজনু রহমান, ছাত্রদল নেতা রিপন, শাহিন ও রেজা বলেন, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা আবু হেনাকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। কাজেই তাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হলে এ আসনে কেউ তার বিজয় ঠেকাতে পারবে না।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন্ কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মনোনয়নপ্রত্যাশী মোহাম্মদ আবু হেনা বলেন, একসময় বাগমারায় এক ইঞ্চি রাস্তাও পাকা ছিল না, গ্রাম পর্যায়ে কোনো মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ ছিল না। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর বাগমারার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পাকাকরণ ও অসংখ্য ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং গ্রাম পর্যায়ে ৬০ শতাংশ মানুষের ঘরে বিনামূল্যে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছেন। এ ছাড়া বাগমারা ও মোহনপুর উপজেলার ২৮টি কলেজকে একযোগে এমপিওভুক্তসহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হলে তার বিজয় শতভাগ নিশ্চিত বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।