মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন গত রোববার মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর) আসনে জাসদ সমর্থিত প্রার্থী আফজাল হোসেন খান জকি তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেও আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি এ বি এম আনোয়ারুল হক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
এ ছাড়া বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করায় মনোনয়নপ্রত্যাশী অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদ ডাবলু ও কারাবন্দী তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়ন দলীয় সিদ্ধান্তে বাতিল হয়েছে বলে প্রকাশ পেয়েছে।
এ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীরা হচ্ছেন, বিসিবি পরিচালক আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (আওয়ামী লীগ), বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির (বিএনপি), আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক এমপি এ বি এম আনোয়ারুল হক (স্বতন্ত্র), খোরশেদ আলম (ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন) ও ফরুক হোসেন আসাদ (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ)।
বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ডাবলু
একাদশ জাতীয় নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নে নানা নাটকীয়তা শেষে মরহুম মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ব্যারিস্টার আবদুল হামিদ ডাবলুকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এর আগে মনোনয়ন তালিকায় তার নাম না থাকায় তৃণমূলে দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
গত শনিবার রাতে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ডাবলু সাংবাদিকদের বলেন, আমার বাবা দেশ ও জাতীয়তাবাদী এ দলের জন্য জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে গেছেন। আমরাও তার আদর্শে বেড়ে উঠেছি। এক-এগারোর সময় তৎকালীন দলীয় মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া বহিষ্কার হয়। দেশ ও দলের ক্রান্তি লগ্নে আমার বাবা মহাসচিবের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানেও সংস্কারপন্থী হিসেবে চিহ্নিত অনেকেই গুলশান অফিসে বসে মনোনয়ন বাণিজ্যের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
তিনি মনে করেন, কারাবন্দী দেশমাতা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বাবার হারানো মানিকগঞ্জ-১ আসন পুনরুদ্ধার করাই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।



