নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ড. আব্দুল মঈন খান ও তার কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় মঈন খান ও তার ব্যক্তিগত সহকারী সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির।

আজ সোমবার দুপুর তিনটার দিকে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার পারুলিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে মঈন খান ও তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। গুরুত্বর আহত অবস্থায় বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়, এবং অন্যান্য আহত বিএনপির কর্মী-সমর্থকে নরসিংদী জেলা হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে।

গুরুত্বর আহত বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, সোমবার দুপুর তিনটার দিকে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ড.আব্দুল মঈন খান তার নির্বাচনি এলাকায় গণসংযোগ করার উদ্দেশ্যে বের হয়ে পারুলিয়া বাজারে পৌঁছালে পুলিশ মঈন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায়।

তিনি আরো বলেন, হামলা করে বিএনপির নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। পরে মঈন খান ও আমি উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নির্বাচনী প্রচারণায় পুলিশি বাধা এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলার বিষয়ে একটি অভিযোগ করতে রিকশা দিয়ে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অতর্কিতভাবে আগ্নেয়াস্ত্রধারী স্থানীয় আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী মঈন খানের ওপর হামলা করে। এক পর্যায়ে স্যারকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় আমি গুরুত্বর জখম হই। হামলাকারী তারা প্রকাশ্যে গুলি ছুড়তে থাকেন।

এব্যাপারে পলাশ থানার ওসি মকবুল হোসেন মোল্লা মঈন খানের নির্বাচনি প্রচারণায় পুলিশি বাধার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ মঈন খানের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা প্রয়োগ করেছে অভিযোগটি সত্য নয়। তবে মঈন খানের ব্যক্তিগত সহকারী বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টনের ওপর কে বা কারা হামলা চালিয়েছে তা তদন্ত সাপেক্ষ্যে বলা যাবে।