শিবালয় উপজেলার আরিচা ঘাটের কাছে যমুনা নদীতে যাত্রীবাহী দু’টি স্পিডবোটের সংঘর্ষে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে দুই শিশুসহ তিনজন যাত্রী। নিখোঁজদের আত্মীয়স্বজন ও ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে শুক্রবার বিকেলে স্পিডবোটে পাবনা এক্সপ্রেসের যাত্রীবহনকালে দু’টি বোটের মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে উভয় বোটের যাত্রীরা নদীতে ছিটকে পড়ে। এতে নারী-শিশুসহ ৪০ যাত্রীর বেশির ভাগ উদ্ধারকর্মীদের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পেলেও চারজন নিখোঁজ হন। দুর্ঘটনাস্থলের ভাটিতে জেলেদের জালে ইকবাল হোসেন (৪২) নামে এক যাত্রীর লাশ ওঠে আসে। তিনি পাবনার সাথিয়া উপজেলার ঘুঘুধারা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। নিখোঁজ তিন জন হলো- পাবনা সদরের রফিকুল ইসলামের মেয়ে দীপ্তি আক্তার (১৫), নরসিংদীর মনোহরদি থানার তারবর গ্রামের দেলায়ার হোসেন তরুণের শিশু কন্যা তনয় (৩) ও ৯ মাসের ছেলে তানিম।
মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে চারটি ইউনিটের ২৫ সদস্য কাজ করছেন। নিখোঁজদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতা চলবে।
শিবালয় থানা ওসি মিজানুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় উদ্ধারকৃত লাশ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো ও আহত যাত্রীদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।