নোয়াখালীর সেনবাগে আবারো পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে সেনবাগ উপজেলার ৯ নম্বর নবীপুর ইউনিয়নের দেবীসিংহপুর গ্রামের হাজী সফিউল্লার নতুন বাড়িতে ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। এ সময় ১০-১৫ জনের সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাত দল বিল্ডিংয়ের গ্রিল ভেঙে বসতঘরের ভেতরে ডুকে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে বেঁধে ফেলে। এরপর ২০ মাস বয়সের শিশু মাহীবি রহমানের গলায় ধারালো ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে ১৫ ভরি স্বণালঙ্কার, নগদ ৫০ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইলফোন লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে দুপুরে সেনবাগ থানার ওসি তদন্ত আবদুল আলীর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে একই উপজেলার বীজবাগ ইউপির বালিয়াকান্দি গ্রামেও অনুরূপ ডাকাতি হয়েছিল।
হাজী সফিউল্লার ছেলে মিজানুর রহমান টিপু জানান, একদল লোক নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলে। এ সময় দরজা না খোলায় তারা বিল্ডিংয়ের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ডুকে অস্ত্রের মুখে তাকেসহ তার বাবা হাজী সফিউল্লাহ (৭৩), মা ছালেমা বেগম (৬৫), স্ত্রী শামীমা আক্তার (৩৪), ভাইয়ের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (২২), মেয়ে সানজিদা আক্তার নাফিজা (১৪), শাকিরা রহমান (১১) জোবেদা রহমান (৪) ও ছেলে মাহীবি রহমানসহ (২০ মাস) পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুদের জিম্মি করে ফেলে। একপর্যায়ে তার এক বছর ৮ মাস বয়সের শিশু মাহীবি রহমানের গলায় ধারালো ছুরি ধরে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে যা আছে দিয়ে দিতে বলে।
এরপর ডাকাতদল ঘরে থাকা ৫০ হাজার টাকা, ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও দুইটি মোবাইলফোন লুট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উল্লাহ বিএসসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ডাকাতিসহ অন্যান্য সামাজিক অপরাধ দমনে মাদকাসাক্ত ও মাদক বিক্রেতাদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
সেনবাগ থানার ওসি তদন্ত আবদুল আলী জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মামলা দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।



