ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রয়েছে ময়লার স্তূপ। ওই ময়লাগুলো কোথাও সরিয়ে না নিয়ে সেগুলোতে আগুন লাগানো হচ্ছে। ওই আগুনে পুড়ে মরছে মহাসড়কের পাশে পরিবেশবান্ধব অনেক গাছ। দীর্ঘ দিন এমন অবস্থা চলতে থাকায় দুই কিলোমিটার এলাকার বেশির ভাগ গাছ কয়লা হয়ে গেছে। এর সাথে বেড়ে চলছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
চান্দিনা উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে যাওয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চান্দিনা উপজেলার পালকি সিনেমা হলের কাছ থেকে সাহাপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় রয়েছে ময়লার ভাগাড়। চান্দিনা বাজার তথা উপজেলা সদরের সব ময়লা-আবর্জনার স্থান হয় ওই মহাসড়কের পাশে। ২২ বছর আগে চান্দিনা পৌরসভা গঠন করা হলেও ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানও নির্মিত হয়নি। ফলে প্রতিদিনের ময়লা-আবর্জনার স্থান হয় মহাসড়কের দুই পাশে।
ময়লা-আবর্জনার ওই স্তূপ বড় হয়ে গেলে সেগুলো সরিয়ে না নিয়ে দেয়া হয় আগুন। ওই আগুনে কাগজ-পলিথিনের সাথে পুড়ে যাচ্ছে মহাসড়কের পাশে থাকা ছোট-বড় অনেক গাছ। নিচ থেকে আগুনে কয়লা হয়ে যায় গাছের গোড়া। ক্রমেই গাছগুলো মরে মহাসড়কের উপর ভেঙে পড়ছে ডালপালা। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে মহাসড়কে চলাচলরত গাড়িচালক ও যাত্রীরা।
চান্দিনা উপজেলা গেট-সংলগ্ন পাট গবেষণা আঞ্চলিক কেন্দ্রের সামনে মারুতি গাড়িচালক রফিকুল ইসলাম জানান, আগুনে পুড়ে গাছগুলো মরে ডালপালা ভেফু মহাসড়কের উপরেই পড়ছে। বড় ডালপালা ভেঙে গাড়িতে পড়লে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটে হতাহতের ঘটনাও ঘটতে পারে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুমিল্লা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আহাদ উল্লাহ জানান, মূলত মহাসড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলাই অপরাধ। পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি আগুনে গাছপালা পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।



