উৎসববিহীন ভোট চলছে রংপুর বিভাগের ২৪ উপজেলায়। ভোটার না আছে কেন্দ্রে, না আছে কেন্দ্রের বাইরে। পথে-ঘাটেও দেখা মিলছে না তাদের। দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে ছিলো এই দৃশ্য।
রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, রংপুর বিভাগের চার জেলার ২৫টি উপজেলায় আজ রোববার ভোটগ্রহণ চলছে। এর মধ্যে আদিতমারি উপজেলায় ভোটগ্রহণ স্থাগিত করা হয়েছে।
সরজমিনে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা, কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোটারদের কোনো লাইন নেই। কেন্দ্রের বাইরেও ভোটারদের কোনো ভিড় নেই।
কালিগঞ্জ মহিমা রঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১২ ভাগ। ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হাসীন জানান, এখন পর্যন্ত ভোটারের লাইন হয়নি। তবে দু’এক জন করে এসে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। ভোট সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে হচ্ছে।
ওই কেন্দ্রে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজনিন নাহার জানান, ‘ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া বিষয়টি দুঃখজনক। নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিলো ভোটারদের মাঝে আস্থা সৃষ্টি করে তাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করা। যতটুকু ভোট হচ্ছে এখন পর্যন্ত ভালো হচ্ছে। বিজয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী।’
অন্যদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার আরাজি চ্যায়ঝারি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে দুপুর ১২টায়ও কোনো লাইন নাই। তবে এই কেন্দ্রের বাইরে কিছু সংখ্যক ভোটার দেখা গেছে। এই কেন্দ্রে দেখা গেছে, সিলের কালির সমস্যা।
এ বিষয়ে ওই কেন্দ্রে উপস্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী (আনারস মার্কা) আলমগীর হোসেন রন্টু অভিযোগ করে জানান, ‘প্রতিটি সেন্টারে আমি যাচ্ছি দেখছি কালি কম, একটা পেপারে যদি সিল মারি তাহলে আরেকটি পেপারে সিল মারার সময় কালি থাকে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘গতকাল রাতে আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা আমার কর্মীকে হুমকিধামকি দিয়েছে। কোনো ভোটার যাতে কেন্দ্রে না আসে। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের লোকজনই কেন্দ্রে আসবে।’
লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক জানান পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার বাহিনীর পাহাড়ায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকে কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।






