সৌদি আরবের খামিজ শহরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শামিম ওসমান রনির (২৫) নামাজে জানাজা গতকাল সকাল ৯টায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ দারুল ফালাহ দাখিল মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে তার লাশ সৌদি এয়ালাইন্সে বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়। পরে নিহতের লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে রামগঞ্জ উপজেলার নিজ বাড়ি সোনাপুর কেয়ামুদ্দিন হাজী বাড়িতে এলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। এ সময় মা-বাবার আর্তচিৎকার ও শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন সবাই।
বাবা বাবুল মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। কত কষ্ট করে পড়ালেখা করিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধারদেনা করে বড় ছেলে শামিম ওসমান রনিকে গত বছর সৌদিতে পাঠিয়েছি। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য মাত্র ১০ মাসের মাথায় সে লাশ হয়ে ফিরে এলো। গত ১৭ মার্চ সৌদি আরবের খামিজ শহরের কর্মস্থল হোটেল বায়াত থেকে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে একটি হসপিটালে নিয়ে গেলে ১০ দিন পরে ২৭ মার্চ তার মৃত্যু হয়। পার্শ্ববর্তী মিঝি বাড়ির সৌদি প্রবাসী মুনির হোসেনসহ কয়েকজন নিকটাত্মীয়র মাধ্যমে রনির বিষয়টি জানতে পারে পরিবার।
সৌদিতে অবস্থানরত নিকটাত্মীয়দের সহযোগিতায় মঙ্গলবার সকালে শামিম ওসমান রনির লাশ বাংলাদেশে আসে।
গতকাল সকাল ৯টায় সোনাপুর দারুল ফালাহ মাদরাসা মাঠে নিহত শামিম ওসমান রনির নামাজে জানাজা পড়ান কেয়ামুদ্দিন হাজী বাড়ি জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুশিউর রহমান।



