ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পিয়ন মো: সফি উল্যাহকে (৬০) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের বারাহীপুর গাজীক্রস রোডের হাসান আলী ভূঞা বাড়ির পাশে হক ম্যানশন থেকে রাত ১০টায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, সফি উল্যাহ ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে পিয়ন পদে চাকরি করতেন। দুই বছর আগে সেখান থেকে ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে বদলী হন। তিনি গাজীক্রস রোডের হক ম্যানশনে ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্ত্রী ঢাকার গাজীপুরে ছেলের বাসায় থাকেন। ছেলে ঢাকায় তুলার ব্যবসা করেন। দুই দিন আগে ঢাকা থেকে ডাক্তার দেখিয়ে বাসায় আসেন সফি উল্যাহ। বৃহস্পতিবার ১৫ হাজার ৪০০ টাকা বোনাস ও ২২ হাজার টাকা বেতন উত্তোলন করে দুপুরের দিকে বাসায় ফিরে ইফতারি তৈরি করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাইন উদ্দিন জানান, সফি উল্যাহ স্কুল থেকে বেতন ও বোনাস উত্তোলন করেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওঁৎ পেতে থাকা ছিনতাইকারীরা টাকার জন্য ইফতারির পূর্ব মুহূর্তে তাকে হত্যা করেছে। হাত-পা ও মুখ বেঁধে কাঁটা চা চামচ দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করেন। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ দিকে হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর (সার্কেল) উক্য সিং ও ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, এ ঘটনায় তার ছেলে আবদুল মোতালেব বাদি হয়ে গতকাল সকালে অজ্ঞাত আসামি করে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের ধরতে চেষ্টা চালাচ্ছে। নিহত সফি উল্যাহ সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের মৃত সোলেমানের ছেলে।
ফেনী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পিয়নকে গলা কেটে হত্যা
ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পিয়ন মো: সফি উল্যাহকে (৬০) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের বারাহীপুর গাজীক্রস রোডের হাসান আলী ভূঞা বাড়ির পাশে...



