দৈনিক নয়া দিগন্তের অনলাইলে সংবাদ প্রকাশের পর নিখোঁজ বাকপ্রতিবন্ধীর সন্ধান পেল তার স্বজনেরা। হারিয়ে যাওয়া বাকপ্রতিবন্ধী ভাইয়ের সন্ধান পাওয়ার ক্ষেত্রে নয়া দিগন্ত সহযোগিতা করায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

৩ মাস ধরে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে অজ্ঞাত বাক প্রতিবন্ধী চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম অজ্ঞাত লোকটির সন্ধান দিতে নয়া দিগন্তের সহযোগিতা কামনা করেন। সেই আলোকে নয়া দিগন্তের অনলাইন সংস্করণে ‘লোকটির পরিচয় কী’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর নিখোঁজ লোকটির পরিবারের দৃষ্টিগোচর হলে ২৪ মে, হাসপাতালের ঠিকানায় আসেন তার বড় ভাই মোঃ তুষার ও স্ত্রী। ভাই ভাবী ছোট ভাতিজাকে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন বাক প্রতিবন্ধী ভাই আল আমিন।

তুষার জানায়, আল আমিন পরিবারের সাথে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা থেকে ঢাকার মিরপুরে আসার সময় সদরঘাট এলাকা থেকে হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাঁখজি করি কিন্তু আল আমিনের সন্ধান পায়নি। একদিন আমাকে আমার এক আত্মীয় নয়া দিগন্তের অনলাইলে সংবাদ ছাপার বিষয়ে জানালে আমি পত্রিকার দেয়া তথ্য অনুযায়ী হাসপাতালে এসে ভাইকে দেখতে পাই। আমার ভাই আমাদেরকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ বিষয়ে হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, লোকটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় জরুরী বিভাগে দেখতে পেয়ে ভর্তি করি। চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে তুললেও লোকটির কোন স্বজন না থাকায় দিনের পর দিন হাসপাতালে অবস্থান করে। লোকটিকে নিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়তে হয়েছে। কিন্তু নয়া দিগন্তে সংবাদ প্রকাশের পর তার স্বজনরা এসে লোকটিকে নিয়ে যাওয়ায় একদিকে যেমন আমরা স্বজনদের কাছে তুলে দিতে পেরেছি তেমননি স্বজনরা হারিয়ে যাওয়া ভাইকে পেয়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠার অবসান হয়েছে। এজন্য নয়া দিগন্ত ভূমিকা পালন করেছে তা মনে রাখার মতো।