নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুর রহমান আজাদের দাবিকৃত দেড় লাখ টাকা ঘুষ না দেয়ায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৪ জন দফতরি-কাম-প্রহরীর বেতনের অর্থ ছাড় না দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তৃতীয় ধাপে নিয়োগ পাওয়া মনোহরদী উপজেলার ৩৪ জন দফতরি-কাম-প্রহরীর ৩৬ মাসের বকেয়া বেতনের অর্থ ছাড় হয় গত জুলাই মাসে। এ অর্থ উত্তোলন করতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুর রহমান আজাদ দফতরিদের কাছে দেড় লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ সময় তারা বকেয়া বেতন পেয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করবেন বলে জানান। পরে তারা ওই কর্মকর্তার দাবিকৃত ঘুষের টাকা পরিশোধ না করায় মারাত্মক ক্ষিপ্ত হন কর্মকর্তা আবদুর রহমান আজাদ।
মইশাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি-কাম-প্রহরী জামিল মিয়া বলেন, ‘উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুর রহমান আজাদের দাবিকৃত দেড় লাখ টাকা ঘুষ না দেয়ায় আমাদের বেতন আটকে দেয়া হয়েছে।
জানা যায়, আবদুর রহমান আজাদ মনোহরদী উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে গত বছর ডিসেম্বর মাসে যোগদান করার পর থেকে তার কার্যালয়ে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘দফতরিদের কাছে আমি কখনো ঘুষ দাবি করিনি।
এ বিষয়ে মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিয়া আক্তার শিমু বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে ওই কর্মকর্তাকে ডেকে দ্রুত বেতনের অর্থ ছাড়ের নির্দেশ দিয়েছি।’



