চাঁদপুর থেকে নৌপথে উজানে আসা বালুবাহী বাল্কহেড ও পণ্যবাহী বিভিন্ন নৌযানে সন্ধ্যায় পর চাঁদপুরের মতলব (উত্তর) ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানা এলাকায় নদীপথে চাঁদাবাজি ও যাত্রীবাহী ট্রলারে (ইঞ্জিন) ও নৌকায় ডাকাতির ঘটনায় ওই পথে চলাচলকারী পণ্য ও যাত্রীবাহী নৌযানের মালিক শ্রমিক ও যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত এক মাসে উল্লিখিত পথে চলাচলকারী বাল্কহেড এমভি তাকওয়া, মা-বাবার দোয়া, গফুর হাজী-২ ও তামান্নাসহ বিভিন্ন নৌযানে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে।
গত শুক্রবার সন্ধ্যারাতে মতলব কালিবাজার থেকে যাত্রীবাহী ট্রলার গজারিয়া ঘাটে আসার পথে দশ যাত্রীর সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে অস্ত্রধারী ডাকাত দল। যাত্রীবাহী ট্রলারে থাকা মতলব উত্তরের সাড়ে পাঁচানী গ্রামের বাসিন্দা পলি বেগম ও তার ভাই আব্দুল কাদেরকে পিস্তলের বাঁট দিয়ে আঘাত করে আহত করে ডাকাত দলের সদস্যরা। মেঘনা মাঝনদীতে ডাকাত দল ¯িপ্রটবোট নিয়ে যাত্রীবাহী ট্রলারটি অ্যাটাক করে।
ডাকাতি ও চাঁদাবাজির শিকার ভুক্তভোগীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে গেলে নদী এলাকা তাদের সীমানার মধ্যে পড়ে না এমন মন্তব্য করে নৌ পুলিশের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গজারিয়া নৌ পুলিশের ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাক নদীপথে চাঁদাবাজির ঘটনার কথা স্বীকার করে জানান, নদীপথে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ নিয়ে এসে প্রতিকার না পাওয়ার কথা অস্বীকার করেন ওই কর্মকর্তা।
চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার বেলতলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবদুল মতিন গতকাল রোববার সন্ধ্যায় জানান, পণ্যবাহী নৌযানে চাঁদাবাজির ঘটনা তিনি জানেন না, তবে শুক্রবারে নদীপথে যাত্রীবাহী ট্রলারে ডাকাতির ঘটনা অবগত রয়েছেন, তিনি দাবি করেন ঘটনাটি ঘটেছে গজারিয়া অংশে। নদীপথে টহল জোরদার করেছেন বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।