পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিলম্বে পার্বত্য চুক্তির যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)। গতকাল দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের একটি রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় জনসংহতি সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা। লিখিত বক্তব্যে ভূমি কমিশনকে কার্যকর করা, পুলিশ, ভূমি ও বনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলো আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদে হস্তান্তর এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে ভোটার তালিকায় জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচন দেয়াসহ ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। পার্বত্য চুক্তির ২২ বছর পূর্তি উপলক্ষে দলটির পক্ষ থেকে ২ ডিসেম্বর র্যালি ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন দলের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা। এ সময় তিনি বলেন, সরকার চুক্তির অধিকাংশ ধারা বাস্তবায়ন করছে ঠিকই কিন্তু ভূমি, স্থানীয় পুলিশ ও বনসহ মৌলিক বিষয়গুলো এখনো বাকি। তবে তারা আশা করেন যেহেতু বর্তমান সরকার চুক্তিটি করেছে, তাই বর্তমান সরকারই চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করবে। তিনি আরো বলেন, সরকার চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করলে পাহাড়ে আর অশান্তি থাকবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিমল কান্তি চাকমা, সহসাধারণ সম্পাদক সুভাষ কান্তি চাকমা, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, সদস্য দুর্গা রানী চাকমা খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিন্দু কুমার চাকমা প্রমুখ।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জনসংহতি সমিতি নেতারা বলেন, একমাত্র চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব হবে।
পার্বত্য চুক্তির ২২ বছর পূর্তি
অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জনসংহতি সমিতির
পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিলম্বে পার্বত্য চুক্তির যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)। গতকাল দুপুরে খাগড়াছড়ি...



