বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ) ২০২০ এর ক্ষণগণনার উদ্বোধন উপলক্ষে ১০ জানুয়ারি কক্সবাজারের আবাসিক হোটেলগুলোতে ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট দেয়া হবে। কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম সিকদার এ তথ্য জানান।
এ ছাড়া দিনটিতে থাকছে বর্ণাঢ্য আয়োজন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বেলা ১১টায় শহরের লাবণী পয়েন্টে বঙ্গবন্ধুর ১০০টি দুর্লভ ছবি নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী করা হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার, এরপর ১০০টি বেলুন উড্ডয়ন ও ১০০টি কবুতর অবমুক্তকরণ, সন্ধ্যা ৬টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সবশেষে রাত ৯টায় ১০০টি ফানুস উড়ানো হবে। পুরো অনুষ্ঠানে নিñিদ্র নিরাপত্তায় কাজ করবে পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজ থেকে পুরো অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচার করা হবে। এ জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। গতকাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের শহীদ এ টি এম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন এসব জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (মুজিববর্ষ) ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ উপলক্ষে সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে ক্ষণগণনা যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আগামী ১০ জানুয়ারি হেজগাঁওর পুরাতন বিমানবন্দরে ক্ষণগণনার শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইভাবে জেলা সদরের মতো উপজেলাগুলোও ক্ষণগণনা যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে কক্সবাজার সাগরপাড়ে অর্ধলাখ লোক সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন জেলা প্রশাসক। কর্মসূচি সফল করতে তিনি জেলাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।
জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন, একেকজনের একেক রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু নিয়ে কোনো বিতর্ক বা মতভেদ থাকার কথা নয়। তিনি না হলে আমরা আজকের বাংলাদেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু এখন বিশ্ববন্ধু। তাকে শ্রদ্ধা করা সবার উচিত।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, মোহাম্মদ আশরাফুল আফসারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।