সাত মাস আগে আয়মান বিনতে ফেরদৌস নূপুর শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব বুঝে নিতে গিয়ে দেখতে পান এই গুদামে বোরো মৌসুমে নি¤œমানের চাল সংগ্রহ করেছেন তৎকালীন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দেবনাথ। পরে বিষয়টি খাদ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান তিনি। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ খন্দকার একটি তদন্ত কমিটি করে দেন। কমিটির তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকাশ দেবনাথকে সাসপেন্ড ও জড়িত অন্যদেরকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়। এ ছাড়া গুদামে নি¤œমানে চাল সরবরাহের দায়ে উপজেলার ১০ চালকলকে চলতি আমন মৌসুমে চাল সরবরাহ হতে বিরত রাখতে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।
এ দিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ খন্দকার ও ঝিনাইগাতী খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা আয়মন বিনতে ফেরদৌসের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আয়মান বিনতে ফেরদৌস নূপুরের বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন দফতরে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। শেরপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ খন্দকার অভিযোগ তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। ফলে অভিযোগ বিষয়ে খাদ্য বিভাগ আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এখন ওই ব্যবসায়ী চক্রটি নাম- বেনামের বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করাচ্ছে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও ঝিনাইগাতী খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা আয়মান বিনতে ফেরদৌস নূপুরের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ খন্দকার বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত শুরু করেছে। খুব শিগগিরই এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।