হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও দেশের খ্যাতিমান কিছু আলেম ওলামার বিরুদ্ধে কটূক্তিকারী ব্যক্তি ও মাওলানাদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় হেফাজতে ইসলাম সাতকানিয়া শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কেরানীহাট এলাকায় এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে মিছিলসহকারে উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ সাতকানিয়া উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আবদুল মুবিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী। বিশেষ অতিথি ছিলেন নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সহসভাপতি ও ছমদরপাড়া বড় মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবুল হাছন, লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সহসভাপতি মাওলানা শোয়েব চৌধুরী, খেলাফত ছাত্র মজলিশের সহসভাপতি ওসমান কাসেমী প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াজ মাহফিলের নামে এক শ্রেণীর মাওলানা ও বক্তা হেফাজত ইসলামের আমির মাওলানা শাহ আহমদ শফীসহ দেশের জনপ্রিয় কয়েকজন আলেমকে নিয়ে কটূক্তি ও অশ্লীল মন্তব্য করে যাচ্ছেন। এ ধরনের কটূক্তি ও অশ্লীল মন্তব্যকারী ব্যক্তি ও মাওলানাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য গত ৩ ডিসেম্বর মাওলানা মাহবুবুল হক আল কাদেরী নুরে বাংলা উপজেলার চরখাগরিয়া এলাকায় আমিন সেন্টার প্রাঙ্গণে এক ওয়াজ মাহফিলে হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী, আল্লামা হাফিজুর রহমান মিজানুর রহমান আল আযহারী ও মাওলানা আমির হামজাসহ দেশের খ্যাতিমান কিছু ইসলামিক বক্তা এবং আলেম ওলামাদের নাম ধরে কটূক্তি করে কথা বলেন। তার কটূক্তিকৃত কথাগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেজবুকে ভাইরাল হলে আলেম সমাজ ও তৌহিদি জনতার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে কটূক্তিকারী মাওলানার বিরুদ্ধে মাওলানা আবদুল মুবিন বাদি হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত ৭ জানুয়ারি সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন মাওলানা মাহবুবুল হক আল কাদেরী নুরে বাংলাকে সাতকানিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।



