কুড়িগ্রামে তীব্র শীত ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষ। কনকনে ঠাণ্ডায় বিপাকে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। দিনের বেলায় হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার পণ্যবাহী যানবাহন। এ বছরের সর্বোচ্চ ঠাণ্ডা বিরাজ করছে সর্ব উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে। সাধারণ মানুষ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের ব্যর্থ চেষ্টা করছেন।
দেশের উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রাম। হিমালয়ের কাছাকাছি এই জেলায় তুলনামূলকভাবে প্রতি বছরই শীতের প্রকোপ থাকে বেশি। বৃহত্তম ১৬টি নদ-নদীময় জেলাতে প্রায় ২৩ লাখ মানুষের বসবাস। ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমারসহ ৩১৬ কিলোমিটার নদী পথের ৫২০টি চর-দ্বীপচরে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ বসবাস করছে। প্রতি বছরই শীতসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয় চরাঞ্চলবাসী। এবারো ব্যতিক্রম হয়নি শীতে।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট কৃষি আবওহায়া ও পর্যবেক্ষণ অফিস জানায়, গতকাল বুধবার কুড়িগ্রামে সবনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ৬৩ হাজার শীতবস্ত্র এবং এক হাজার ৫০০ শিশু পোশাক। এ ছাড়াও দুই হাজার শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। শীতবস্ত্র বিতরণে মনিটরিং করাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শীতবস্ত্র বিতরণে সমন্বয় করে সেগুলা বিতরণ করা হচ্ছে।



