খাগড়াছড়িতে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ঘাতক স্বামী শাহ আলমকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গত বুধবার খাগড়াছড়ির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক রেজা মোহাম্মদ আলমগীর হাসান এ দণ্ডাদেশ দেন। একই সাথে আদালত তাকে আরো ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি শাহ আলম আদালতে উপস্থিত ছিল।
জানা যায়, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী কোহিনুর বেগমের ওপর নির্যাতন চালাত শাহ আলম। ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে না পাওয়ায় ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মাসে দীঘিনালার রশিক নগরে নিজ বাড়িতে রোজাদার স্ত্রী কোহিনুর বেগমের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে ঘরের দরজা লাগিয়ে দেয় শাহ আলম। পরে কোহিনুর বেগমের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ অক্টোবর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মৃতের ছোট ভাই আলম মিয়া বাদি হয়ে ২০০৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর দীঘিনালা থানায় মামলা করেন। পরে ২০০৯ সালের ৯ ডিসেম্বর পুলিশ চার্জশিট দাখিলের পর আদালত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়।
আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে এ দণ্ড দেন।