‘নৈতিকতা ও দৃঢ়তা দিয়ে দুর্নীতি ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। বিবেকের কাছে কখনো পরাজিত হবে না। এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভুলে যাবে না। তাদের শ্রম ও ঘামের বিনিময়ে তোমরা শিক্ষা অর্জন করেছ। এখন সময় এসেছে সেই ঋণ পরিশোধ করার। পৃথিবীর যেই প্রান্তেই থাকো, তোমরা এ বিশ^বিদ্যালয়কে, এ দেশের মাটি ও মানুষকে ভুলে যাবে না।’ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রথম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ।
গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়টির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিকেলে সমাবর্তনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহেরের সঞ্চালনায় সমাবর্তনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী। সমাবর্তন বক্তা ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। এ ছাড়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা উন্নত জাতি তৈরির মহান কারিগর। একজন শিক্ষক জাতির পথপ্রদশর্ক। একজন শিক্ষকের কাজ শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে সীমাবদ্ধ নয়, তিনি জাতির বুদ্ধি ও বিবেককে জাগ্রত করে অন্তরে জ্ঞানের মশাল প্রজ্বলিত করেন। তাই একজন শিক্ষককে হতে হবে আদর্শ ও ন্যায়নীতির প্রতীক।’
এবারের সমাবর্তনে পাঁচটি অনুষদের মোট দুই হাজার ৮৮৮ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নিয়েছেন। যার মধ্যে স্নাতক ডিগ্রিধারী এক হাজার ২২২ জন এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় ডিগ্রিধারী এক হাজার ৬৬৫ জন। এ দিকে শিক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মোট ১৪ জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। বিকেল ৫টায় সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি।
কুবির প্রথম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি
‘নৈতিকতা দিয়ে দুর্নীতি ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে’
‘নৈতিকতা ও দৃঢ়তা দিয়ে দুর্নীতি ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে। বিবেকের কাছে কখনো পরাজিত হবে না। এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভুলে যাবে না। তাদের...



