নিষেধাজ্ঞা আমান্য করে মুমূর্ষু রোগীদের থামিয়ে ছবি তুলছেন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা এমন অভিযোগ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। সম্প্রতি নবাবগঞ্জের দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিন পর্যবেক্ষণে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের সম্মুখ চত্বরে মোটরসাইকেল রাখার নিষেধাজ্ঞাও মানা হচ্ছে না।
পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, রোগী চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বের হলেই প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন বিক্রয় প্রতিনিধিরা। রোগীর জরুরি মুহূর্তও আমলে নিচ্ছেন না তারা। এ দিকে এমন হয়রানিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।
ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা: আবু হোসেন মোহাম্মদ মঈনুল আহসান গত ১ জানুয়ারি এক লিখিত আদেশে প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একই সাথে তিনি ঢাকা জেলার আওতাধীন প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেন।
দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আদেশ অমান্য করে ছবি তুলতে দেখা যায় কুতুব নামে এক বিক্রয় প্রতিনিধিকে। ছবি তোলার বিষয়ে জানতে তার কছে যেতেই দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে স্থান ত্যাগ করে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হাসপাতাল চত্বরে মোটরসাইকেল রাখা বিক্রিয় প্রতিনিধি মনতোশ বারই বলেন, আমি আদেশ অমান্য করে গাড়ি রেখেছি। আগামীতে আর রাখব না।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জসিম উদ্দিন জানান, সিভিল সার্জনের এমন সিদ্ধান্ত ও চিঠির বিষয়টি তারা দোহারের সব ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের জানিয়ে দিয়েছেন। এর পরও যদি কেউ আইন অমান্য করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।