বরগুনার বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আরো চারজন সাক্ষীর জেরা সমাপ্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত শিশু আদালতে ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
বুধবার সকাল ১০টায় বরগুনার শিশু ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মো: হাফিজুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন কনস্টেবল নাজমুল হাচান, হাবিবুর রহমান, নেফয়েজ ও এসআই মো: সাইদুল ইসলাম। এদিন, হাজতে থাকা সাতজন ও জামিনে থাকা সাত শিশু আসামি শিশু আদালতে উপস্থিত ছিলো।
এদিন আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার পর বরিশাল মডেল থানার এসআই মো: সাইদুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে বলেন, আমি ২৬ জুন বিকেলে বরিশাল মডেল থানায় ডিউটিরত ছিলাম। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন লোক মারা গেছে। এমন সংবাদ শুনে আমি সেখানে যাই। হাসপাতালে যাবার পর জানতে পারি রিফাত শরীফ নামে একজন নিহত হয়েছেন। ওইদিন সন্ধ্যায় নিহত রিফাত শরীফের লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করি। তখন দেখতে পাই রিফাত শরীরের শরীর ক্ষত-বিক্ষত। হাতে মাথায় ঘাড়ে বুকে বড় বড় কোপ।
ওই পুলিশ অফিসার আরো বলেন, আমি যখন লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করি তখন রিফাত শরীফের পরনে একটি রক্তমাখা জিন্স প্যান্ট ছিল। তাও আদালতে সনাক্ত করেছি।
সাইদুল ইসলামকে জেরা করেন, রিশান ফরাজির আইনজীবী সোহরাফ হোসেন মামুন।
সাক্ষী নেফয়েজ বলেন, ঘটনার পরের দিন ২৭ জুন আমি তদন্তকারী কর্মকর্তার সাথে ঘটনাস্থল যাই। সেখান থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা রক্তমাখা পিচ জব্দ করেন। পরে নিহত রিফাত শরীফের গায়ে রক্তমাখা একটি শার্টও জব্দ করেন। আমি সেই জব্দ তালিকায় স্বাক্ষর করেছি।
রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, শিশু আদালতে এ পর্যন্ত ৬৪ জন সাক্ষি দিয়েছেন। সাক্ষীরা যখন সাক্ষ্য দেয় তখন ১৪ জন শিশু আসামির সবাই আদালতে উপস্থিত ছিল। বরিশাল মডেল থানার এসআই নিহত রিফাত শরীফের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। সেই মর্মে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।






