চলতি মৌসুমে মাগুরার শ্রীপুরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। সামনে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলনও চাষিদের আশানুরূপ হওয়ার আশা করছে কৃষকরা। ফলে এ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দেড়গুণ পেঁয়াজ উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানিয়েছে, পাঁচ হাজার ৮৯৫ হোক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে; যা অতীতের সব রেকর্ডের চেয়ে বেশি। উচ্চ ফলনশীল জাতের লাল তীর কিং, বারি পেঁয়াজ-১ (তাহেরপুরী), স্থানীয় জাতের রাজশাহী কিং, ফরিদপুরীসহ বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজ বেশি চাষ হয়েছে। এসব জাতের পেঁয়াজ কৃষক ও জনসাধারণের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। সংরক্ষণ ক্ষমতা বেশি তাই এ জাতের পেঁয়াজ চাষ বেশি হয়। এ বছর এসব জাতের পেঁয়াজ চাষ হয়ে প্রায় ৮৫ শতাংশ জমিতে। বাকি ১৫ শতাংশ জমিতে কৃষকরা উচ্চ ফলনশীল বারি পেঁয়াজ-৪সহ বিভিন্ন স্থানীয় জাতের পেঁয়াজের আবাদ করেছে। অনেক কৃষক উচ্চ ফলনশীল জাতের পেঁয়াজের কন্দ বা ওনিয়ন বাল্ব লাগিয়ে বীজ সংরক্ষণ করছেন। কৃষি বিভাগের ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণের ফলে উচ্চ ফলনশীল এসব জাতের পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে বলে কৃষি বিভাগের দাবি।
শ্রীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের পেঁয়াজ চাষি আসাদুজ্জামান লিখন জানান, এ মৌসুমে ১৮০ শতক জমিতে লাল তীর ও তাহেরপুরী জাতের পেঁয়াজ চাষ করেছেন তিনি। প্রায় ৪০০ মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হবে বলে আশা তার।



