দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে বেড়েই চলেছে অবৈধভাবে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত। সে কারণে বেড়েছে এ পারের মানুষের জন্য করোনাভাইরাসের ঝুঁকিও। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পারাপার হওয়া ওই সব মানুষের দেহের তাপমাত্রা পরীক্ষা করার জন্য নেই কোনো ব্যবস্থা। এমনকি দেখা গেছে, দুই দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে একাকার। ভারতীয় মোবাইল ফোন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নেটওয়ার্ক বিস্তার করেছে। আবার ভারতের ওই পারেও পাওয়া যাচ্ছে গ্রামীণফোন, রবিসহ বাংলাদেশের প্রায় সব অপারেটরের নেটওয়ার্ক।
গত শনিবার সন্ধ্যায় বিরামপুরের ভাইগড় সীমান্তে গিয়ে দেখা গেছে, ওই সীমান্ত হয়ে অবাধে ভারতে ঢুকছে বাংলাদেশী (নাগরিক) জুয়াড়ি ও মাদকসেবীরা। অপর দিকে, ভারত থেকেও বাংলাদেশে ঢুকছে ওই দেশের মানুষ বা নাগরিকেরা।
জুয়াড়িদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এক দিনের (দিনরাত ২৪ ঘণ্টা) জন্য ১৪ হাজার টাকা করে লাইন দিয়ে প্রতি দিনরাত ধরে চলে আসছে ওই বর্ডার হয়ে বাংলাদেশ হতে ভারত ও ভারত হতে বাংলাদেশে যাতায়াত।



