ধীরে ধীরে ভোলাহাট উপজেলায় বাড়ছে করোনা প্রতিরোধ সচেতনতা। মহামারী করোনাভাইরাস সারা বিশে^ ভয়াল আকার ধারণ করেছে। যার প্রতিক্রয়া বাংলাদেশেও পড়েছে। সরকার করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। তা বাস্তবায়ন করতে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিবুল আলম এবং পুলিশের পক্ষ থেকে ভোলাহাট থানার অফিসার ইনর্চাজ নাসির উদ্দিন মণ্ডলসহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
সরজমিনে দেখা গেছে, হাটবাজার ও মোড়ে মোড়ে গণজমায়েত সীমিত হয়েছে। বেশির ভাগ মানুষ ঘরে থাকছে। কমেছে গণপরিবহন। ভোলাহাট-রহনপুর যাতায়াতের মকরমপুর সৈয়দ সুলতান ব্রিজের টোল ইজারাদার জানান, আগের চেয়ে ৮০ শতাংশ মানুষের যাতায়াত কমে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক আছে। তবে কয়েকটা দ্রব্যমূল্য কিছুটা বেশি। এ দিকে সরকারের পক্ষ থেকে উপজেলার ২ হাজার নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আব্দুল হামিদ জানান, ভোলাহাট উপজেলায় মোট ৭৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছিল। ৪৪ জনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে।
ভোলাহাটে বাড়ছে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা
ধীরে ধীরে ভোলাহাট উপজেলায় বাড়ছে করোনা প্রতিরোধ সচেতনতা। মহামারী করোনাভাইরাস সারা বিশে^ ভয়াল আকার ধারণ করেছে। যার প্রতিক্রয়া বাংলাদেশেও পড়েছে। সরকার করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন...



