শেরপুরের নালিতাবাড়ীর সীমান্তবর্তী উপজাতি পল্লীতে বিভিন্ন সামাজিক সঙ্ঘের উদ্যোগে মাস্ক, সাবান ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করতে দেখা গেছে। তবে সরকারি বা সামাজিক সঙ্ঘের উদ্যোগে খাদ্যসহায়তা প্রদানের কোনো কর্যক্রম চোখে পড়েনি। এ এলাকায় গারো, কোচ ও হাজং সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে বলে জানা যায়।
বারমারী খ্রিষ্টান মিশন, ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও কারিতাসসহ ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন সামাজিক সঙ্ঘ নিজস্ব অর্থায়নে এসব সামগ্রী বিতরণ করেছে।
ট্রাইবাল চেয়ারম্যান লুইস নেংমিনজা জানান, করোনার আক্রমনে মরণ ছোবল সম্পর্কে উপজাতি সম্প্রদায়ের কোনো ধারণাই নেই। তাই তাদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মাস্ক পরিধান করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং অধিক সুরক্ষার জন্য নিজ বাড়িতে অবস্থান করা সম্পর্কে ধারণা দিতে লিফলেট, সাবান ও মাস্ক বিতরণ করা হয়। আমাদের এই সহায়তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম।
তিনি আরো বলেন, তহবিল সঙ্কটে আমরা খাদ্যসহায়তা করতে পারছি না। ঘরে বসে থাকা উপজাতিরা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের চালও পাইনি। এমনকি এ পর্যন্ত কোনো প্রকার সরকারি সহায়তা উপজাতিরা পাচ্ছে না। এখানকার বেশির ভাগ উপজাতি পরিবারগুলো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন। তাই তিনি উপজাতিদের জন্য সরকারি সহায়তা দেয়ার দাবি জানান।



