শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি)।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নালিতাবাড়ী উপজেলায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ৩৪ টি কমিউনিটি ক্লিনিকে গ্রামীণ জনশক্তির মাঝে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন ৩৪ জন সিএইচসিপি। প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতিদিন গড়ে ৪০-৫০ রোগীকে সেবা দেওয়া হয়। এখানে বিভিন্ন ধরণের প্রায় ৩০ প্রকার ঔষধ দেওয়া হয়। এই দুর্যোগ মুহুর্তে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও কমিউনিটি ক্লিনিকে সিএইচসিপিরা জীবন বাজী রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলার গেরামাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি আব্দুর রহমান বলেন, আগে দিনে ৪০-৫০ জন সেবাগ্রহীতা আসতেন। এখন আসছেন ৮০-৯০ জন। এদের বেশির ভাগই জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে আসছেন তএসব রোগীর সেবা দিচ্ছি আমরা। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে শঙ্কিত আমি।
একই কথা জানালেন উপজেলা সিএইচসিপি এসোসিয়েশনের সভাপতি ও বিশগিরিপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. জুনায়েদ ইসলাম।
ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত রোগী দেখতে হচ্ছে। মৌসম পরিবর্তনের কারণে আগত রোগীদের বেশিরভাগই জ্বরে আক্রান্ত। এখন এদের মধ্যে কেউ যদি করোনা আক্রান্ত হয়ে থাকে তবুও তার রোগ চিহ্নিত কিংবা চিকিৎসা না দেবার কোন সুযোগ সিএইচসিপিদের নেই। এছাড়া চিকিৎসা দিতে গিয়ে নিজে এবং আরো অনেকে করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা তো আছেই।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেহমা সারোওয়াত সালাম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সিএইচসিপিদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে আমরাও এলাকার সাংসদ ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মাতিয়া চৌধুরীরর দেয়া যত সামান্যা পিপিই দিয়েই চিকিতসা সেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।
প্রাণঘাতি করোনার ঝুকিনিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন সিএইচসিপি জুনায়েদ ইসলাম।



