করোনার থাবা বাদ যায়নি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলাতেও। এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত দুইজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। যদিও ৭ এপ্রিল বিকেল থেকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে টাঙ্গাইল জেলার সমস্ত উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করলেও পুলিশ-প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে সর্বসাধারণ। মানুষ যত্রতত্র ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে অবাধেই এ উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামে প্রকাশ্যে এবং গোপনে প্রবেশ করছে। মানছে না কোন বাধা নিষেধ। ফলে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে করোনার ঝুঁকি।
শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এখনো জনসমাগম রয়েছে কিছু কিছু জায়গায় চায়ের আড্ডা বেশ জমজমাট। হাট-বাজারে মানছে না সামাজিক দূরত্বে থাকার নির্দেশ। সচেতনতার বিন্দুমাত্র নেই এ সকল মানুষদের মাঝে। এদিকে, সিএনজি, হ্যালোবাইক বা অটো রিক্স্রা করে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে এখনো মানুষ দল বেধে আসছে। উপজেলার সদর এবং ভাদ্রায় দুই জন যুবক ঢাকা থেকে উপজেলার নিজ বাড়িতে আসার প্রায় এক সপ্তাহ পর তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের জীবানু শনাক্ত হওয়ায় প্রশাসনের উপর ক্ষোভ এবং আস্থা হারিয়ে ফেলেছে সচেতন মহল অপর দিকে করোনার ঝুঁকিতে রয়েছে এ উপজেলা।
সচেতন সমাজের ধারণা, এ উপজেলার সাধারণ মানুষদের মাঝে এখনো করোনাভাইরাসের তেমন কোন ধারণা নেই। প্রশাসন শুধু লকডাউন দিলেই হবে না সাথে সাথে সাধারণ মানুষদের করোনা সম্পর্কে আরো ধারণা দিতে হবে। তবে সচেতন মহল প্রশাসনের দুর্বলতাকেই দায়ী করেছেন।
এদিকে ১৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারা দেশ করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে বলে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও এখন পর্যন্ত নাগরপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সে বিষয়ে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলম চাঁদ এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশও মানুষ; আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রেখে নাগরপুর উপজেলায় করোনা মোকাবিলায় আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।



