চিরিরবন্দরে ত্রাণের দাবিতে পরিকল্পিতভাবে দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের চম্পাতলী বাজারে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করলে উভয়পাশে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও গাড়ি আটকা পড়ে। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়েশা সিদ্দীকা, ওসি সুব্রত কুমার সরকার, দশমাইল হাইওয়ে থানার ওসি জি এম শামসুন নূর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভকারীদের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং যান চলাচল শুরু হয়। গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের চম্পাতলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, চিরিরবন্দরের বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম তারিকের পোষ্যপুত্র জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বে ত্রাণের দাবিতে দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের চম্পাতলী বাজারে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করা হয়। এ সময় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক পাশে আটকা পড়ে। ক্ষুব্ধ জনগণ খাদ্যবাহী গাড়িতে লুটপাটের চেষ্টা চালায়। হাইওয়ে থানার পুলিশ ও চিরিরবন্দর থানার এসআই আশরাফুজ্জামান তাতে বাধা দেয়। এরপর উপজেলা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ অফিস চত্বরে জমায়েত হন। উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ লুনারকে চতুর্থ দফা পর্যন্ত ওয়ার্ড ওয়ারী কতজন সরকারি বরাদ্দ পেয়েছেন জনগণের উদ্দেশে তা জানাতে বলেন।
ইউপি চেয়ারম্যান এ সময় জানান, ফতেজংপুর ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৪১ হাজার ২৬১ জন। এর মধ্যে ছয় হাজার ৬০০ পরিবারকে ত্রাণের আওতায় আনার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পুরো ইউনিয়নে একশ’ পরিবার, দ্বিতীয় পর্যায়ে একশ’, তৃতীয় পর্যায়ে ২৩০টি, চতুর্থ পর্যায়ে ৪৬০টি পরিবার ত্রাণ সহায়তা পেয়েছে। পঞ্চম পর্যায়ে ২২০ পরিবার ত্রাণ সহায়তা পাবে। পর্যায়ক্রমে তালিকাভুক্ত সবাই পাবে। নতুন কোনো লোক খাদ্য সঙ্কটে পড়লে তাকে সহায়তা দেয়া হবে।
এতে লোকজন আশ্বস্ত হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
চিরিরবন্দরে ত্রাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
চিরিরবন্দরে ত্রাণের দাবিতে পরিকল্পিতভাবে দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের চম্পাতলী বাজারে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করলে উভয়পাশে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও গাড়ি আটকা পড়ে। এতে যান চলাচল...



