মাগুরার শ্রীপুর উপজলোর লাঙ্গলবাঁধ বাজারে পার্শ্ব¦বর্তী ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজলার ধলহরাচন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলা চালিয়ে চেয়ারম্যান হালিম মোল্লার বাজার কমিটির অফিস ও শতাধিক দোকানঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
বাজারের ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক জানান, জমিজমাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় শৈলকূপার উপজেলার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাসের সমর্থক মালিথিয়া গ্রামের সুজন সরকার ও শ্রীপুর উপজলোর গয়েশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্লার সমর্থক এবং একই গ্রামের শহীদের দলীয় লোক শ্রীপুর উপজেলার চাকদা গ্রামের রুবেল ও জিনারুলের বাকবিতণ্ডা হয়। তার জের ধরে মঙ্গলবার সকালে ধলহরাচন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন গ্রাম থেকে থেকে ৫০০ লোক জোটবদ্ধ হয়ে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে শতাধিক দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। সেই সাথে তার (আবদুর রাজ্জাক) দোকান থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় উভয় চেয়ারম্যান পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাস বলেন, হালিম চেয়ারম্যানের লোকজন সোমবার সন্ধ্যায় তার ইউনিয়নের নতুনভুক্ত মালিথিয়া গ্রামের সুজন সরকারের বাড়িতে হামলা করে।
আর গয়েশপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম মোল্লা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে মাগুরা-১ আসনের এমপি ও প্রশাসনের নির্দেশে লাঙ্গলবাঁধ বাজারে তার ইউনিয়নের লোকজন চেকপোস্ট বসাতে গেলে এবং বাজারের পাশে গড়াই নদীর ঘাটে লোক পারাপার বন্ধ করতে গেলে মতিয়ার চেয়ারম্যানের লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে বিরোধের কারণে মঙ্গলবার মতিয়ার চেয়ারম্যানের কয়েকশ’ লোক একজোট হয়ে বাজারে আমার অফিস ও শতাধিক দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
শ্রীপুর থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, বর্তমানে লাঙ্গলবাঁধ বাজার উভয় থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শৈলকূপা থানার ওসি বজলুর রহমান বলেন, পুনরায় যাতে কোনো ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে।