অবশেষে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের আলোচিত সেই অবৈধ ক্রসড্রেনটি উচ্ছেদের সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। গত ১৭ জুন দৈনিক নয়া দিগন্তে ‘কক্সবাজারে হুমকির মুখে দেড় কোটি টাকার বেড়িবাঁধ’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রাকশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। সম্প্রতি পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও বেড়িবাঁধটির তদারক কর্মকর্তা মো: গিয়াসউদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনটি পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেয়া হলেও প্রতিবেদনটি নিয়ে এখনো চলছে লুকোচুরি।
পাউবো সূত্র জানায়, প্রতিবেদনটি নির্ধারিত সময়ে জমা দিলেও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট না পাওয়ার অযুহাতে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। এ দিকে উপজেলার অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটিকে প্রভাবশালীরা প্রভাবিত করছে বলে অভিযোগ তুলে প্রতিবেদনের আলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয় লোকজন।
উল্লেখ্য, পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বেড়িবাঁধ হচ্ছে ‘টেকপাড়া বেড়িবাঁধ’। মাতামুহুরী নদীর খরস্রোতা থেকে উজানটিয়াবাসীকে সুরক্ষা দিতে পাউবোর ৬৪/২বি পোল্ডারের প্রায় ২ কিলোমিটারের অধিক দীর্ঘ এ বেড়িবাঁধটি প্রায় এক কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু এলাকায় করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে রাতের আঁধারে নবনির্মিত বেড়িবাঁধটি কেটে ব্যক্তিমালিকনাধীন মৎস্য প্রজেক্টে পানি ঢোকানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ স্থানীয় চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাঈকা শাহাদাত ও পাউবোর কর্মকর্তারা সম্প্রতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার অধিকতর তদন্তে পেকুয়া পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিকি মারমাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
নয়া দিগন্তের সংবাদ প্রকাশ
পেকুয়ার অবৈধ ক্রসড্রেন উচ্ছেদে পাউবোর প্রতিবেদন
অবশেষে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের আলোচিত সেই অবৈধ ক্রসড্রেনটি উচ্ছেদের সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। গত ১৭ জুন দৈনিক নয়া দিগন্তে...



