মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার হাজার হাজার মানুষ গ্রামবাসী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এনজিও ও সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। করোনা দুর্যোগের মধ্যেও কিস্তি আদায়কারীর চাপ থাকায় অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এনজিওর কিস্তি আদায়ের বিরোধকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ইকবাল নামে এক সুদ কারবারি খুন হয়েছেন। তার বাড়ি উমারখালি গ্রামে।
জানা যায়, করোনার এই দূর্যোগের মধ্যে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ থাকায় এবং খেটে খাওয়া মানুষের কাজ না থাকায় আয় কমে গেছে। এ অবস্থায় অধিকাংশের পক্ষে ঋনের কিস্তি দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। সংকরদি গ্রামের সুফিয়া বেগম জানান, তার স্বামী কিস্তির টাকা দিতে না পেরে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন। তাকে এনজিওর লোকেরা বাড়ি এসে চাপ দিচ্ছে। ঘোষালকান্দি গ্রামের আরিফ মিয়া জানান, কিস্তির টাকা নিয়মিত আদায় করার চাপে সতিনি ংসার চালাতে পারছেন না। টেকেরহাটের ব্যবসায়ী সুবল বিশ্বাস জানান, সমস্যায় পড়ে সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। এখন করোনার কারণে ব্যবসা না থাকায় দৈনন্দিন কিস্তি দিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
রাজৈরে কিস্তির চাপে গ্রাহকরা দিশেহারা \
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার হাজার হাজার মানুষ গ্রামবাসী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এনজিও ও সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে চরম বিপাকে...



